বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২২ | Biman

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২২ নতুন পদে জনবল নিবে দেরি না করে আজই আবেদন করুন। ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ১৯৯৬ পর্যন্ত দেশে উড়োজাহাজ খাত এর একক সংস্থা হিসেবে ব্যবসা চালায়। বিভিন্ন সময়ে উড়োজাহাজ বহর এবং গন্তব্য বৃদ্ধির চেষ্টা অব্যাহত রাখলে দুর্নীতি আর অদক্ষতার জন্য বিমান বার বার পিছিয়ে পড়ে যায়। বাংলাদেশ বিমান তার সুসময়ে ২৯টি গন্তব্যে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করত। এটি পশ্চিমে নিউ ইয়র্ক শহর থেকে পূর্বে টোকিও পর্যন্ত ছিল। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২১ এর আরো তথ্য নিচে দেওয়া আছে ভালো ভাবে দেখে আবেদন করুন। আরও চাকরির খবর দেখুন bdjobsedu.com এ।

আপনি কিছু নিয়োগ কানুন মেনে খুব সহজে আবেদন করুন। বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চাকরির বিজ্ঞপ্তি আমাদের ওয়েবসাইট bdjobsedu.com-এ পাওয়া যাচ্ছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চাকরির শূন্যপদ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ প্রকাশ করেছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে চাকরির শিক্ষাগত শর্ত ন্যূনতম আটজন পাস এবং সর্বচ্চ মাস্টার্স পাসে প্রার্থীরা পদটিতে আবেদন করতে পারবেন। চাকরি সন্ধানকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চাকরির মতো সমস্ত সরকারি চাকরির সার্কুলার পেতে পারেন আমাদের সাইটে। যাইহোক, আপনি Google এ Biman Bangladesh airlines job circular 2022 লিখে সার্চ করতে পারেন। Biman airlines cabin crew job circular 2022 PDF ডাউনলোড করুন তারপর এখানে সম্পূর্ণ সার্কুলার বিজ্ঞপ্তিটি পড়ুন শুধুমাত্র যোগ্য প্রার্থীদের এই বিজ্ঞপ্তিতিতে আবেদন করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স নিয়োগ ২০২২

  • সময়সীমাঃ ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২
  • পদ সংখ্যাঃ বহু পদ দেখুন বিজ্ঞপ্তি
  • অনলাইনে আবেদন করুন নিচে দেখুন

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২২

অনলাইন আবেদন করুন
সতর্কতার সহিত আবেদন করুন

জনপ্রিয় চাকরির খবর সমূহ

Bangladesh Airlines job Circular 2022

২০০৭ সাল এর আগ পর্যন্ত বিমান পুরোপুরি একটি সরকার নিয়ন্ত্রিত সংস্থা ছিল যেটি সে বছর এর জুলাই মাসে ২৯ তারিখ তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে রুপান্তরিত করা হয়। কোম্পানিতে রূপান্তরিত হওয়ার পর কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংখ্যা কমিয়ে আনার পাশাপাশি উড়োজাহাজ বহর আধুনিকায়ন এর জন্য পদক্ষেপ নেয়।

এর প্রধান কেন্দ্রটি ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং এটি চট্টগ্রামের মাধ্যমিক কেন্দ্র শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকেও বিমান পরিচালনা করে। এয়ারলাইনটি এশিয়া এবং ইউরোপকে আন্তর্জাতিক যাত্রী এবং কার্গো পরিষেবা সরবরাহ করে পাশাপাশি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ প্রধান রুটগুলি সরবরাহ করে। এটির ৪২ টি দেশের সাথে বিমান পরিষেবা চুক্তি রয়েছে এবং এটি বর্তমানে ১৬ টি ভিন্ন দেশে যায়। বিমান সংস্থাটি বাংলাদেশ সরকারের তত্ত্বাবধায়ক সরকার কর্তৃক দেশের বৃহত্তম পাবলিক লিমিটেড সংস্থায় রূপান্তরিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক পরিচালিত এবং পরিচালিত ছিল। বিমান সংস্থাটির সদর দফতর বালাকা ভবন কুর্মিটোলে অবস্থিত। বার্ষিক হজ ফ্লাইট, অনাবাসী বাংলাদেশী শ্রমিক এবং অভিবাসীদের পরিবহণ এবং এর সহায়ক সংস্থাগুলির কার্যক্রম ক্যারিয়ার ব্যবসায়ের একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ গঠন করে।

১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারিতে তৈরি হয়েছিল বিমান চূড়ান্ত পর্যায়ে, পশ্চিমে নিউ ইয়র্ক সিটি এবং পূর্বে টোকিওর মতো দূরত্বে ২৯ টি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে বিমান পরিচালনা করেছে। ২০০৭ সালে পাবলিক লিমিটেড সংস্থা হওয়ার পর থেকে বিমান সংস্থাটি বহরটিকে আধুনিকীকরণ করতে শুরু করেছে। বিমান সংস্থাটি বোয়িংয়ের সাথে আরও দশটি বিকল্পের পাশাপাশি দশটি নতুন বিমানের জন্য একটি চুক্তি করেছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ইউরোপীয় বিমান চালনা সুরক্ষা সংস্থা কর্তৃক ইউরোপে উড়তে নিরাপদ হিসাবে শংসিত তদ্ব্যতীত, এয়ারলাইনস আইএটিএ অপারেশনাল সেফটি অডিট্যান্ডকে সাফল্যের সাথে পাশ করেছে তখন থেকে এটি এশিয়া এবং ইউরোপের আগের কয়েকটি গন্তব্যগুলিতে সাফল্যের সাথে উড়ছে। বিমান বিশ্বব্যাপী দুর্দান্ত গর্বের সাথে দেশের দ্বি-বর্ণযুক্ত পতাকাটিকে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে।

হজ্জ্ব ফ্লাইট

হজ্জ্ব ফ্লাইট পরিচালনার জন্য কাবো এয়ার থেকে ভাড়ায় আনা বিমান বাংলাদেশ এর একটি বোয়িং ৭৪৭-২০০ বিমান। বাংলাদেশ থেকে হাজার হাজার মুসলিম প্রতি বছর হজ্জ পালন করতে মক্কায় যান। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স একমাত্র বাংলাদেশি বিমান সংস্থা যা জেদ্দার বাদশাহ আব্দুলআজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রতি বছর হজ্জ্বযাত্রী পরীবহন করে। বাংলাদেশ এর উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ যেমন প্রধানমন্ত্রী বা বিমান মন্ত্রী প্রতি বছর এই হজ্জ্ব ফ্লাইট এর উদ্বোধন করে থাকেন। বাংলাদেশ সরকার ২০০২ সালে একবার বেসরকারি বিমান সংস্থা এর জন্য এই পরিসেবা উন্মুক্ত করেছিল। এয়ার বাংলাদেশ হল সর্বপ্রথম বেসরকারি বিমান পরিবহন সংস্থা যারা হজ্জ্ব ফ্লাইট পরিচালনা করে। কিন্তু বেসরকারি বিমান সংস্থা সেই বছর বিবিন্ন যাত্রায় প্রায় সর্বোচ্চ নয় দিন পর্যন্ত বিলম্ব করায় পুনরায় বিমান বাংলাদেশ একচ্ছত্র আধিপত্যে ফিরে যায়।

বিমান এর হজ্জ্ব ফ্লাইটগুলো আজ পর্যন্ত কখনই ঝামেলামুক্ত ছিল না। ২০০৫ সালে হজ্জ্ব ফ্লাইটের জন্য অতিরিক্ত ভাড়া ধার্য করার অভিযোগে তৎকালীন বেসামরিক বিমান চলাচল এবং পর্যটন প্রতিমন্ত্রী পদত্যাগ করেন। ২০০৬ সালে বর্ধিত চাহিদার কথা বিবেচনা করে বিমান বাংলাদেশ এর সমস্ত হজ্জ্ব ফ্লাইট থেকে প্রথম শ্রেণী সরিয়ে নেয়ার মত নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নেয়। অপরদিকে হজ্জ্ব এজেন্সিগুলো নিয়মনীতি মেনে না চলার জন্য হজ্জ্বযাত্রীদের ভিসা প্রাপ্তি বিলম্ব হলে বিমান বাংলাদেশকে প্রায় ১৯টি যাত্রা বাতিল করা হয়। আবার এই ভিসা সংক্রান্ত জটিলতার অবসান হওয়ার পরে বিমান বাংলাদেশ নির্দিষ্ট সময় এর মধ্যে এই অতিরীক্ত যাত্রীর জন্য অতিরীক্ত বিমান যোগাড় করতে ব্যার্থ হয়।

Leave a Reply

Back to top button
error: লেখা কপি করা যাবেনা !!